
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগরের নেতা ও সনাতনী সম্প্রদায়ের মানবিক মুখ বাপ্পী দে সম্প্রতি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
একটি অশুভ চক্র, যার নেতৃত্বে রয়েছে দীপা দাশ নামের এক নারী, বিভিন্ন জায়গায় বাপ্পী দে’র ছবি ও মনগড়া তথ্য ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনসমূহ।

নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে:
-
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি
-
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট
-
চকবাজার থানা পূজা উদযাপন পরিষদ
তারা জানান, দলের দুঃসময়ে রাজপথে শতবার নির্যাতনের শিকার হওয়া এই সাহসী নেতা বাপ্পী দে বরাবরই সনাতনী সম্প্রদায়ের কাছে মানবতার দূত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অথচ বর্তমান ষড়যন্ত্রের কারণে তিনি এখন পারিবারিক, সামাজিক এবং ব্যবসায়িকভাবে চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
বাপ্পী দে নিজে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
“একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে আমার রাজনীতি, ধর্মীয় পরিচয় এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি চট্টগ্রামবাসীর ভালোবাসা নিয়ে রাজনীতি করি, কোনো লুকোচুরি বা দাগ থাকলে কখনও টিকে থাকতে পারতাম না। আজ আমার বিরুদ্ধে যে ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা ভুয়া, উদ্দেশ্যমূলক ও সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিমূলক। আমি চাই প্রশাসন দ্রুত এই বিষয়ের তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনুক।”
তিনি আরো বলেন, “আমার মতো একজন রাজনৈতিক কর্মীর সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার মানে শুধু আমার ক্ষতি নয়, বরং এর মাধ্যমে তারা বিএনপির আদর্শ ও সনাতনী সমাজের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বকেও আঘাত করছে। আমি সবার প্রতি অনুরোধ করবো, এসব গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত সত্য জানতে চেষ্টা করুন।”
বাপ্পী দে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, যেন এই অপপ্রচার ও চরিত্র হননের ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘৃণ্য অপপ্রচারের শিকার না হন তা নিশ্চিত করা হয়।

এই ধরণের অপপ্রচারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা আমাদের প্রতিবেদককে জানান, কোনো মামলা বা অভিযোগে নাম না থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র নেতৃস্থানীয় সংগঠক বাপ্পী দে-কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা পুরোপুরি বেআইনি, নৈতিকতা ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি হঠকারি ও ভণ্ডামিপূর্ণ কৌশল, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন সনাতন মানবতাবাদী রাজনীতিবিদকে সামাজিকভাবে হেয় করা ও তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। তাঁরা জোরালোভাবে দাবি করেন, প্রশাসন যেন এই অপচেষ্টার মূল হোতাদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যক্তিকে এমন ষড়যন্ত্রের শিকার না হতে হয়।